যৌতুক বলতে বুঝায় কনে পক্ষ হতে বর পক্ষকে বিবাহ পূর্ব শর্ত অনুযায়ী কোনো সম্পদ বা টাকা দেয়ার চুক্তি করা। যতদূর জানা যায়, প্রাচীন যুগে যৌতুক একটি সামাজিক রীতি ছিল। কিন্তু এখন এটি একটি সামাজিক অভিশাপ হিসাবে আমাদের সমাজ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি আমাদের সামাজিক শান্তি এবং সুখকে নষ্ট করছে।যৌতুকের জন্য প্রতিদিনই আমাদের অসহায় বোনদেরকে স্বামী কর্তৃক নির্যাতন সহ্য করতে হয়।
যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। যৌতুকের কারনে হাজারো মেয়ের জীবনে নেমে আসে অশান্তি। অনেক মেয়ের আবার যৌতুক দিতে না পারার কারনে বিয়ে হয় না। যৌতুক একটি প্রাচীন প্রথা। যৌতুকের কারনে সমাজে অশান্তি নেমে আসে। বর্তমানে কোনো বাবাই যৌতুক ছাড়া নিজের মেয়ের বিয়ের কথা ভাবতে পারে না। যৌতুকের টাকা সময়মতো দিতে না পারলে মেয়েদের কপালে দুর্ভোগ নেমে আসে।
যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। যৌতুকের কারনে হাজারো মেয়ের জীবনে নেমে আসে অশান্তি। অনেক মেয়ের আবার যৌতুক দিতে না পারার কারনে বিয়ে হয় না। যৌতুক একটি প্রাচীন প্রথা। যৌতুকের কারনে সমাজে অশান্তি নেমে আসে। বর্তমানে কোনো বাবাই যৌতুক ছাড়া নিজের মেয়ের বিয়ের কথা ভাবতে পারে না। যৌতুকের টাকা সময়মতো দিতে না পারলে মেয়েদের কপালে দুর্ভোগ নেমে আসে।
যৌতুকের অন্যতম প্রধান কারন হলো লোভ। লোভে পড়ে মানুষ বিয়ের সময় কনে পক্ষের থেকে অনেক কিছু দাবি করে। কোনো উপায় না দেখে অসহায় বাবা মা যৌতুক দিতে রাজি হয়। কিন্তু বাবা মা সময়মতো যৌতুক দিতে না পারলে শ্বশুড় বাড়ির লোকেরা মেয়েদেরকে নানাভাবে নির্যাতন করা শুরু করে। অনেক মেয়েকে যৌতুকের জন্য প্রতিদিনই স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে হয়। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অনেক মেয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে আসে। আবার অনেক মেয়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে।যৌতুক একটি মারাত্মক অপরাধ। বাংলাদেশি আইনমতে যৌতুক দেওয়া এবং নেওয়া উভয়ই সমান অপরাধ। যৌতুক একটি ঘৃণ্য প্রথা। যৌতুকের কারনে অনেক বাবা নিঃস্ব হয়ে যায়। মেয়েরা যাতে স্বামীর বাড়িতে সুখে থাকে এজন্য বাবারা যে করেই হোক যৌতুকের ব্যবস্হা করে দেয়। আবার অনেক বাবা যৌতুকের টাকা দিতে না পেরে লজ্জায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। যৌতুকের কারনে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। তাই আমাদেন উচিত যৌতুকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। আমাদের সচেতনতাই পারে সমাজ থেকে যৌতুকের মতো ঘৃণ্য প্রথাকে দূর করতে। সরকারকেও যৌতুকের ব্যাপারে আরো কঠোর আইন তৈরী করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে যাতে সমাজ থেকে যৌতুক নামক প্রথাটা সমূলে দূর হয়ে যায়।
যেহেতু যৌতুক দেওয়া এবং নেওয়া উভয়ই সমান অপরাধ সেহেতু সবাই শপথ করুন আমরা যৌতুক নিবোও না দিবোও না । যদি কেউ যৌতুক চায় তাহলে অবশ্যই আমরা তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্হা করবো। যৌতুককে না বলুন সমাজে শান্তি বজায় রাখুন।

Comments
Post a Comment