ধর্ষণ বলতে বোঝায় কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করা।ধর্ষন খুবই জঘন্য কাজ।বর্তমানে ধর্ষন একটি নিত্য দিনের কর্মকাণ্ড হয়ে গেছে। শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউই ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।যথাযথ আইন বাস্তবায়নের অভাবে ধর্ষণকারী ধর্ষণ করে পার পেয়ে চাচ্ছে এবং সমাজে ধর্ষণ বেড়েই চলছে।
ধর্ষণ খুবই মারাত্মক একটি অপরাধ। ধর্ষিত হওয়ার পর একজন ধর্ষিতা মানসিক এবং শারীরিকভাবে খুবই বাজে সময় পার করে।বর্তমান সমাজে ধর্ষণ বেড়েই যাচ্ছে এবং ধর্ষণের হাত থেকে 5 বছরের শিশু থেকে 60 বছরের বৃদ্ধা কেউ রেহাই পাচ্ছে না। এই ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে অনেক কারন রয়েছে।সবচেয়ে বড় কারন হলো - পুরুষের কুদৃষ্টি।দ্বিতীয় কারন হলো - নারীদের অযাচিত চলাফেরা, আজেবাজে পোশাক পড়া। ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার তৃতীয় কারন হলো - নারী-পুরুষের অবাধ মিলামিশা।চতুর্থ কারন হলো আইনের দুর্বলতা। ধর্ষণ করাটা যেনো এখন ধর্ষণকারীদের নিত্যদিনের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই অসংখ্য মা বোনকে ধর্ষিতা হতে হচ্ছে কিছু মানুষরূপী নরপশুর হাতে। শুধু ধর্ষণেই শেষ নয় অনেক মা বোনকে ধর্ষিতা হওয়ার পর জীবনও দিতে হয় ধর্ষকের হাতে।
কোনো বোন ধর্ষিতা হলে সমাজ তাকে মেনে নিতে চায় না। কেউ তাকে বিয়ে করতে চায় না।আর অথচ ধর্ষক সমাজে মাথা উঁচু করে চলাফেরা করে। কেনো ভাই? ধর্ষিতাকে কেনো ঘৃণা করবেন? ঘৃণা যদি করতে হয় ধর্ষককে করুন।ধর্ষণ খুবই জঘন্য একটি কাজ।এজন্য অবশ্যই ধর্ষনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।ধর্ষনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রনয়ণ করে তা জনগনের সামনে বাস্তবায়ন করতে হবে।একজন ধর্ষককে যদি জনসম্মুখে শাস্তি দেয়া হয় তাহলে অবশ্যই সমাজ থেকে ধর্ষণ অনেকটা কমে যাবে।শুধু রাষ্ট্র নয় বরং আমাদেরকেও ধর্ষনের বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং কোথাও ধর্ষনের ঘটনা ঘটলে অবশ্যই ধর্ষককে আইনের হাতে সমর্পণ করতে হবে যাতে উপযুক্ত শাস্তি প্রয়োগ করা হয়।
আসুন আমরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং সমাজ থেকে ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ দূর করার চেষ্টা করি যাতে আমাদের মা বোন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে।আর প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন দয়া করে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি বিধান করে জনসম্মুখে তা বাস্তবায়ন করুন যাতে সমাজ থেকে চিরতরে ধর্ষণ নামক শব্দটি মুছে যায়।


Comments
Post a Comment