রাগ মানুষের চরম শত্রু। রাগের বশে মানুষ যেকোনো কাজ করে ফেলতে পারে।রাগের সময় আমাদের বুদ্ধি লোপ পায়। তখন আমরা যেকোনো কাজ করে বসতে পারি। যার ফলে আমাদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।এজন্য আমাদের অবশ্যই রাগ নিয়ন্ত্রন করতে হবে। মনে রাখতে হবে রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
রাগ করলে অন্যের চেয়ে নিজেরই বেশি ক্ষতি হয়।যেকোনো কাজ করতে গেলে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রেখে করতে হবে। কখনোই মাথা গরম করা যাবে না। কেননা মাথা গরম করে কখনোই কোনো কাজ সুষ্ঠু ভাবে করা যায় না। রাগ মানুষের সবচেয়ে নেতিবাচক দিক। রাগ জিনিসটা এতোই খারাপ যে এটা একটা মানুষের জীবন পর্যন্ত ধ্বংস করে দিতে পারে। রাগের বশে মানুষ কাউকে হত্যা করতে পর্যন্ত দ্বিধা-বোধ করে না।আপনি একটা কাজ করতে গেলেন কিন্তু অনেকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন এবং রাগ করে সে কাজটা ফেলে রাখলেন এতে অন্য কারো ক্ষতি হবে না বরং আপনারই ক্ষতি হবে।মনে করেন আপনি একজন স্টুডেন্ট এবং কালকে আপনার গনিত পরীক্ষা ।আপনি অংক কষতে বসলেন কিন্তু পারেননা দেখে রাগ করে বই খাতা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে টেবিল থেকে উঠে গেলেন। এতে আপনারই ক্ষতি হবে আপনি পরীক্ষায় ভালোভাবে লিখতে পারবেন না।আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে রাগ করে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিলেন এতে আপনারই ক্ষতি হবে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। আপনার টাকার সবকিছু অথচ আপনি খাচ্ছেন না। এজন্যই বলা হয় রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন । তাই রাগ যতটা পারা যায় অবশ্যই দমিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে। কেননা রাগ করে কোনো কাজ করলে সেটা কখনোই আমাদের জন্য ভালো হবে না।
রাগ করলে আমাদের মাথা কাজ করে না।রাগ করলে আমাদের বুদ্ধিলোপ পায়। তখন কোনটা করলে ভালো হবে বা খারাপ হবে কিছুই মাথায় আসে না। তখন আমরা এমন কিছু করে বসি যেটা আমাদের সারা জীবনে কান্না বয়ে আনে। আসুন রাগ করলে যে মাথা ঠিক থাকে না বুদ্ধিলোপ পায় তেমন একটা গল্প বলি-
"এক জঙ্গলে ছিলো একটি সাপ। সাপটা যেখানে বাস করত তার উপরে ছিলো একটি ভিমরুলের বাসা। সাপটি যখন তার গর্ত থেকে শিকারের জন্য বের হতো তখনই ভিমরুলটি তার মাথায় কামড়ানো শুরু করতো।এতে সাপটি অত্যন্ত বিরক্ত বোধ করতো এবং সাপটির অনেক রাগ হতো। রাগের বশে একদিন সাপটি সিদ্ধান্ত নিলো অবশ্যই এর একটা বিহিত করতে হবে। বাগানের পাশ দিয়েই ছিলো একটি বিশাল রাস্তা । সেখান দিয়ে যানবাহন যাওয়া আসা করতো। সাপটি এতোটাই রাগান্বিত ছিলো যে সে সিদ্ধান্ত নিলো সে ভীমরুলটিকে মেরে ফেলবে। যেই ভাবনা সেই কাজ। সাপটি যখন তার গর্ত থেকে বের হলো ভীমরুলটি আবারো তার মাথায় বসে ফুল ফোটাতে লাগলো। সাপটি আস্তে আস্তে রাস্তার কাছে আসলো এবং ভীমরুলটিকে মারার জন্য তার মাথাটা গাড়ির চাকার নিচে দিয়ে দিলো। এতে সাপটির মাথা রাস্তার সাথে মিশে গেলো এবং ভীমরূলটি উড়ে চলে গেলো।"
এ গল্পটা আমাদেরকে এটাই শেখায় যে, রাগ করলে বুদ্ধিলোপ পায়। তখন মানুষ যেকোনো কাজ করে বসতে পারে যেটা তার জন্য খুবই ক্ষতিকর। এজন্য আমাদের সকলের উচিত নিজেদের রাগ নিয়ন্ত্রনে রাখা এবং রাগের মাথায় কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়া। আর সবসময়ই একথাটা মনে রাখতে হবে -
"রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন"
রাগ করলে অন্যের চেয়ে নিজেরই বেশি ক্ষতি হয়।যেকোনো কাজ করতে গেলে অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রেখে করতে হবে। কখনোই মাথা গরম করা যাবে না। কেননা মাথা গরম করে কখনোই কোনো কাজ সুষ্ঠু ভাবে করা যায় না। রাগ মানুষের সবচেয়ে নেতিবাচক দিক। রাগ জিনিসটা এতোই খারাপ যে এটা একটা মানুষের জীবন পর্যন্ত ধ্বংস করে দিতে পারে। রাগের বশে মানুষ কাউকে হত্যা করতে পর্যন্ত দ্বিধা-বোধ করে না।আপনি একটা কাজ করতে গেলেন কিন্তু অনেকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন এবং রাগ করে সে কাজটা ফেলে রাখলেন এতে অন্য কারো ক্ষতি হবে না বরং আপনারই ক্ষতি হবে।মনে করেন আপনি একজন স্টুডেন্ট এবং কালকে আপনার গনিত পরীক্ষা ।আপনি অংক কষতে বসলেন কিন্তু পারেননা দেখে রাগ করে বই খাতা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে টেবিল থেকে উঠে গেলেন। এতে আপনারই ক্ষতি হবে আপনি পরীক্ষায় ভালোভাবে লিখতে পারবেন না।আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে রাগ করে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিলেন এতে আপনারই ক্ষতি হবে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। আপনার টাকার সবকিছু অথচ আপনি খাচ্ছেন না। এজন্যই বলা হয় রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন । তাই রাগ যতটা পারা যায় অবশ্যই দমিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে। কেননা রাগ করে কোনো কাজ করলে সেটা কখনোই আমাদের জন্য ভালো হবে না।
রাগ করলে আমাদের মাথা কাজ করে না।রাগ করলে আমাদের বুদ্ধিলোপ পায়। তখন কোনটা করলে ভালো হবে বা খারাপ হবে কিছুই মাথায় আসে না। তখন আমরা এমন কিছু করে বসি যেটা আমাদের সারা জীবনে কান্না বয়ে আনে। আসুন রাগ করলে যে মাথা ঠিক থাকে না বুদ্ধিলোপ পায় তেমন একটা গল্প বলি-
"এক জঙ্গলে ছিলো একটি সাপ। সাপটা যেখানে বাস করত তার উপরে ছিলো একটি ভিমরুলের বাসা। সাপটি যখন তার গর্ত থেকে শিকারের জন্য বের হতো তখনই ভিমরুলটি তার মাথায় কামড়ানো শুরু করতো।এতে সাপটি অত্যন্ত বিরক্ত বোধ করতো এবং সাপটির অনেক রাগ হতো। রাগের বশে একদিন সাপটি সিদ্ধান্ত নিলো অবশ্যই এর একটা বিহিত করতে হবে। বাগানের পাশ দিয়েই ছিলো একটি বিশাল রাস্তা । সেখান দিয়ে যানবাহন যাওয়া আসা করতো। সাপটি এতোটাই রাগান্বিত ছিলো যে সে সিদ্ধান্ত নিলো সে ভীমরুলটিকে মেরে ফেলবে। যেই ভাবনা সেই কাজ। সাপটি যখন তার গর্ত থেকে বের হলো ভীমরুলটি আবারো তার মাথায় বসে ফুল ফোটাতে লাগলো। সাপটি আস্তে আস্তে রাস্তার কাছে আসলো এবং ভীমরুলটিকে মারার জন্য তার মাথাটা গাড়ির চাকার নিচে দিয়ে দিলো। এতে সাপটির মাথা রাস্তার সাথে মিশে গেলো এবং ভীমরূলটি উড়ে চলে গেলো।"
এ গল্পটা আমাদেরকে এটাই শেখায় যে, রাগ করলে বুদ্ধিলোপ পায়। তখন মানুষ যেকোনো কাজ করে বসতে পারে যেটা তার জন্য খুবই ক্ষতিকর। এজন্য আমাদের সকলের উচিত নিজেদের রাগ নিয়ন্ত্রনে রাখা এবং রাগের মাথায় কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়া। আর সবসময়ই একথাটা মনে রাখতে হবে -
"রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন"

Comments
Post a Comment